|

 

  

 
 
 
   

|

   
   

|

   

|

  প্রথম পাতা | ১৯৭১ | বাঙলা কলেজ বধ্যভূমি | আন্দোলন | স্মৃতিস্তম্ভ  
   
   

|

   

www.banglacollege.com ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। ভাষাসৈনিক প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম ১৯৬২ সালে বাঙলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন যা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকিস্তানী হানাদার-বাহিনী ও তাদের এদেশীয় সহযোগী রাজাকারদের ক্যাম্প হিসাবে ব্যবহৃত হয়। তারা নৃশংস হত্যাযজ্ঞ পরিচালনা করে। ২০০৭-এ বাঙলা কলেজের সাধারন ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে ও ক্যাম্পাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের দাবিতে আন্দোলনের সূচনা করে যাতে ক্যাম্পাসের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক সংগঠনসহ বাংলাদেশের জাতীয় অঙ্গনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সমর্থন দেন। আন্দোলন চলছে, আপনার সমর্থন চাই ......

 

 

 

লক্ষ্য করুন, ওয়েবসাইটটি কলেজ কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নয় অথবা বাংলাদেশ সরকারের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। মুক্তিযুদ্ধ, বাঙলা কলেজ বধ্যভূমি, আন্দোলনের তথ্য ও ছবি নিয়ে শিক্ষার্থীবৃন্দ ও সাবেক শিক্ষার্থীবৃন্দ কর্তৃক নির্মিত এই ওয়েবসাইটের লিংকসমূহে আরো তথ্য পাবেন।

আমরা ছাত্রছাত্রীরা, জাহানারা ইমামের শহীদ সন্তান মুক্তিযোদ্ধা রুমীকে ওয়েবসাইটটি উৎসর্গ করছি.......

 
     
 

(১ ডিসেম্বর ২০১২) :  ২০১০ -এ দীর্ঘ আমলাতান্ত্রিক জটিলতার পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং তা হতাশাজনক ধীরগতিতে চলছে। এদিকে কলেজের অভ্যন্তরে বড় গেট ও শহীদ মিনারের মাঝামাঝি জায়গায় স্মৃস্তিস্তম্ভ নির্মানের জন্য জমি বরাদ্দপ্রাপ্ত হয়েছে।

১৯৯৪ সালে ক্যান্সারে জাহানারা ইমামের মৃত্যু হলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবির আন্দোলনে ভাটা পড়ে। মুক্তিযুদ্ধের নের্তৃত্বদান-কারী দল আওয়ামীলীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেনি। ২০০৭ - এ নতুন করে বিষয়টি আলোচিত হলে বাংলাদেশের অন্য কোন স্কুল, কলেজ, নাগরিক বা রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই দাবিতে কোন কর্মসূচী গ্রহন না করলেও একমাত্র ব্যতিক্রম ও অনন্য উদাহরন বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে ও বাঙলা কলেজ বধ্যভূমিতে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মানের দাবিতে ব্যাপক জনমত হয়। অথচ ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধী ও ১১,০০০ এদেশীয় দালালের মধ্যে গ্রেফতার হয় অল্প কজন, স্মৃতিস্তম্ভ নির্মানের ফাইল প্রসেসিং এ চলছে অবিশ্বাস্য ধীরগতি। বাঙলা কলেজের ছাত্রছাত্রীরা কোন ব্যক্তিস্বার্থে আন্দোলন করেনি অথচ তাদের এই 'ভালো কাজ' এর প্রতিদান কি ? ছাত্রছাত্রীদের দাবি বাস্তবায়নে সরকারের তপরতা সর্বোচ্চ ধীরগতির অথচ তদ্বিরবাজ, টেন্ডারবাজ, স্বজনপ্রীতি, সর্বকালের 'সরকারি দলের সমর্থক'দের স্বার্থ সর্বোচ্চ দ্রুতগতিতে সম্পাদিত হয়। যারা এই লেখাটি পড়ছেন, তাদের মধ্যে এমন কেউ কি আছেন যিনি এর রহস্য জানেন ?

 
   

|

   
  copyright©banglacollege.com  
   

|

 

শীর্ষ সংগঠকবৃন্দ | কমিটি | পৃষ্ঠপোষক | আর্থিক বিবৃতি | ডেভেলপার টিম | নোটিশ

 
 

Exclusive Links :  ফ্রি ওয়েবমেইল | স্যাটেলাইট হতে কলেজ | Wikipedia -তে মুক্তিযুদ্ধ বাঙলা কলেজ

 
   

|